Sourav Cultural Organisation

Our Story

Sourav Cultural Organisation

সৌরভের শুভ সূচনা ও কিছু স্মরণীয় মাইল ফলক

 

জামশেদপুর শহরের দক্ষিন ভাগে পরশুডি থানার অন্তরগত প্রমথনগর নামক একটি বাঙালি অধ্যুসিত অঞ্চলে সৌরভ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। সৌরভের স্থাপনা দিবস ৩১ শে জানুয়ারি ১৯৭৩ বর্ষ। ৭ জন সংস্কৃতি মনস্ক যুবক সুজিত মুখার্জি, অসীম মৈত্র, বিশ্বনাথ সেনগুপ্ত, বিপুল নন্দী, স্বপন নাগ, বিমল মুখোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, তৎকালীন সময়ে ওই অঞ্চলে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের স্বপ্ন নিয়ে উক্ত দিনে একটি সভার আয়োজন করেছিলেন। উক্ত সভায় সাহিত্য ও সঙ্গীত অনুরাগী কিছু গণ্যমান্য ব্যাক্তি কেও আমন্ত্রিত করা হয়েছিল। উক্ত সভায় প্রথম যেই কমিটি গঠন হয়েছিল সেটা নিম্নরূপ –

  1. সভাপতি – বিশ্বনাথ সেনগুপ্ত
  2. সম্পাদক – সুজিত মুখার্জি
  3. সহ- সম্পাদক – বিমল মুখোপাধ্যায়
  4. কোষাধ্যক্ষ – বিপুল নন্দী
  5. মুখ্য উপদেষ্টা – সুধীর চন্দ্র সেনগুপ্ত ও সুনীল চন্দ
  6. সাধারন সদস্য – অসীম মৈত্র, স্বপন নাগ, জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, প্রনবেশ রঞ্জন দাস, সুতীর্থ করন এবং যুগান্তর পাত্র
  • এরপর পাড়ারই কয়েকটি বাড়ি ভাড়া করে নৃত্য, তবলা ও গীটার এই তিনটে বিভাগ নিয়েই সৌরভের পথ চলা শুরু হয়।
  • পরবর্তী সময়ে সৌরভের সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেছেন শ্রী সুধীর চন্দ্র সেনগুপ্ত ও শ্রী বিমলাকর ভট্টাচার্য। বর্তমানে সভাপতি পদে রয়েছেন শ্রী সুজিত মুখার্জি।

  • কয়েক বছর পর স্থানীয় শ্যামাপ্রসাদ বিদ্যাভবন স্কুলের শিক্ষা সমিতি এই অঞ্চলের শ্রীবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সৌরভ কে প্রতি রবিবার সঙ্গীত ও শিল্পকলার ক্লাস পরিচালনা করার অনুমতি দেয়।

  • সৌরভের সঙ্গীত এবং শিল্পকলায় শিক্ষার মান উচ্চ থেকে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পিছনে অবশ্যই অবদান রয়েছে জামশেদপুরের ‘রবীন্দ্র ভবন ‘এবং তদানীন্তন কালে ভবনের কয়েকজন কর্মকর্তা ডঃ দেবল দাসগুপ্ত, শ্রী অমর লালা ও শ্রী এ কে বোস সৌরভের কর্মধারায় অনুপ্রানিত হয়ে কয়েকজন গুণী শিক্ষক কে সৌরভে ক্লাস করার অনুমতি দেন।
  • সৌরভের প্রথম স্মরণীয় দিন নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য জমি ক্রয়। প্রমথনগর অঞ্চলের অধিবাসী শ্রী দ্বিজেন্দ্র লাল ঘোষ মহাশয় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওনার একটি জমি সৌরভকে বিক্রয় করার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং সেইমত জমিটি কেনা হয়।

  • সৌরভের দ্বিতীয় স্মরণীয় দিন ভবন নির্মাণ হেতু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। ২রা সেপটেম্বর ১৯৮৪ বর্ষ তারিখে মাননীয় শ্রী বিমান ঘোষ (সিনিয়র ডেপুটি জেনারেল মানেজার – টেলকো) ও শ্রী সুজিত বোস (ম্যানেজিং ডিরেক্টর, পি ই সি প্রাইভেট লিমিটেড) এবং ডঃ অমল কুমার বোস মহাশয়ের উপস্থিতিতে সৌরভ ভবনের শিলান্যাস হয়।

  • সৌরভের তৃতীয় স্মরণীয় দিন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ কার্যর শুভ উদ্বোধন। জামশেদপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবী, পরহিতে সদাসর্বদা নিয়োজিত-প্রান শ্রী অচিন্তম গুপ্ত মহাশয়ের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি অতি আনন্দমুখর হয়ে উঠেছিল।

  • সৌরভের চতুর্থ স্মরণীয় দিন, ৩রা এপ্রিল ২০১৬ বর্ষ তারিখে মাননীয় শ্রী সুব্রত দত্ত (অর্জুন পুরষ্কার ভূষিত এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ‘হল অফ ফেম ‘প্রাপ্ত) মহাশয়ের করকমলে মঞ্চের আবরন উন্মোচন হয়।

  • সৌরভের পঞ্চম স্মরণীয় দিন সৌরভের নব নির্মিত উস্তাদ আলাউদ্দিন খান নামাঙ্কিত প্রেক্ষাগৃহের আবরন উন্মোচন। ১৩ই জানুয়ারি ২০১৯ বর্ষ তারিখে পাদুকাশিল্পের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ‘শ্রীলেদার্স’ এর অন্যতম কর্ণধার মাননীয় শেখর দে মহাশয়ের মাতা স্বর্গীয়া কিরনময়ী দে এবং পিতা স্বর্গীয় সুরেশ দের স্মৃতিতে প্রেক্ষাগৃহটি উৎসর্গ করা হয়।

  • জামশেদপুর এবং প্রমথনগর অঞ্চলের কিছু শুভানুধ্যায়ী, সংস্কৃতিমনস্ক, বিশিষ্ট মানুষজন যাঁদের পৃষ্ঠপোষকতা, সহযোগিতায় সৌরভের বিকাশ, সফলতা, পরিপূর্ণতা ও স্বপ্নপুরনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছিল উল্লেখনীয় ভাবে তাঁরা হলেন শ্রী বিরাজ নাগ, শ্রী তাপস রায়, শ্রী দুলু মুখার্জি, ডঃ রমেশ চন্দ্র দে, ডঃ অরুন কুমার গুহ, শ্রী শেখর দে. শ্রী বিকাশ মুখার্জি, শ্রী অচিন্তম গুপ্ত, শ্রী সুব্রত দত্ত এবং টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল ও টাটা মোটরস কোম্পানির কিছু আধিকারিকগন। সৌরভ তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।